কুড়িগ্রামে ইমাজিন প্রকল্পের জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালন ;

হুমায়ুন কবির সূর্য্য, কুড়িগ্রাম, ০১ অক্টোবর ২০১৯;

কুড়িগ্রামে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে র‌্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি মো: জাফর আলী। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘কন্যাশিশুর অগ্রযাত্রা, দেশের জন্য নতুন মাত্রা।’
বণ্যাঢ্য র‌্যালি শেষে আলোচনাসভায় মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক সিভিল সার্জন ডা: আমিনুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক ডা: নজরুল ইসলাম, কেয়ারের উইমেন এন্ড গার্লস এমপাওয়ারমেন্ট প্রকল্পের পরিচালক হুমায়রা আজিজ, মহিদেব যুব সমাজ কল্যাণ সমিতি (এমজেএসকেএস) উপপরিচালক অমল কুমার মজুমদার প্রমুখ। পরে ইমাজিন প্রকল্পের মাঠ সহায়কদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয়।
মহিদেব যুব সমাজ কল্যাণ সমিতির ইমাজিন প্রকল্পের উদ্যোগে এবং কেয়ার বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।#

বঙ্গবন্ধুর শোকে কালো পোশাকে মকবুল হোসেনের ৪০ বছর ;

সূর্যদয়২৪, ২৯সেপ্টেম্বর/২০১৯, অনলাইন সংস্করণ ;

একমুখ দাড়ি – গোঁফ । পেকে সাদা হয়ে গেছে । কপালে – চোয়ালে বয়সের ভাঁজ । ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে কালের ইতিহাস । নাম মকবুল হােসেন । জাতীয় পরিচয়পত্রে জম্মের সাল লেখা ২ জানুয়ারি , ১৯১৮ । সেই হিসাবে বয়স হয়েছে ৯৬ । তবে পরিবারের সদস্যদের দাবি , তা ইতিমধ্যে শতক পেরিয়েছে । প্রথম দেখায় একই বয়সী আর দশজন থেকে তাকে আলাদা করে চেনা মুশকিল । তবে দৃষ্টি আটকে যায় পােশাকের দিকে তাকালে । গায়ে কালাে রঙের পাঞ্জাবি , সর্দে একই রঙের পায়জামা । এ বয়সের একজন মানুষের পরনে কেন শােকের রং ? কৌতুহল জাগে । এলাকার লােকজনকে জিজ্ঞেস করে জানা গেল , মকবুল হােসেন সব সময় কালাে কাপড় পারেন । কিন্তু কেন ? উত্তর শুনে বিস্ময়ের ঘাের কাটতে সময় লাগল । লােকজন জানাল , ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ঘাতকরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর থেকেই কালাে রঙের পােশাক পরছেন মকবুল । একটিবারের জন্যও তার গায়ে অন্য কোনাে রঙের কাপড় দেখা যায়নি । বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর ভালােবাসা থেকেই ৪০ বছর ধরে শােক পালন করছেন তিনি । মকবুল হোসেন থাকেন রাজধানীর শ্যামলী এলাকার একটি বস্তিতে । গত বুধবার তাকে পাওয়া গেল পশ্চিম আগারগাঁও এলাকার গােপাল চন্দ্রের সেলুন দোকানে । কথা হয় সেখানেই । আর কত দিন কালাে পােশাক পরে থাকবেন — জানতে চাই । বললেন , যত দিন বাইচা থাকুম!

প্রধানমন্ত্রীর ৭৩তম জন্মদিন উপলক্ষে , রাজধানীতে বাংলাদেশ আওয়ামী অনলাইন লীগ ও জামুকা’র যৌথ শোভাযাত্রা ;

সূর্যদয়২৪ নিউজ ডেক্স, ২৯ সেপ্টেম্বর /২০১৯, ঢাকা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র “শুভ জন্মদিন” উপলক্ষে, ২৮ সেপ্টেম্বর /২০১৯ রাজধানীতে, #বাংলাদেশ_আওয়ামী_অনলাইন_লীগ ও আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান(জামুকা’র) যৌথ শুভেচ্ছা শোভাযাত্রা কর্মসূচি পালন করে।

যৌথ কর্মসূচীতে নেতৃত্ব দেন, বাংলাদেশ আওয়ামী অনলাইন লীগের প্রতিষ্ঠাতা, আহবায়ক জনাব- মোঃ কামাল হোসেন ও জামুকা’র মূখ্য পাত্র।

সকাল ১০ঘটিকায় গুলিস্তান ১০ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয় এবং মতিঝিল স্বাধীনতা ভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিনের সংক্ষিপ্ত আলোচনা, দোয়া ও কেক কাটা কর্মসূচি পালিত হয়, মতিঝিল থেকে আবারো শোভাযাত্রা কর্মসূচি প্রেসক্লাবে গিয়ে পথসভার মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।শোভাযাত্রা চলাকালীন সময়ে রাজপথ দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র জন্মদিন শ্লোগানে মুখরিত ছিলো।

শহিদুল ইসলাম সাগর, সূর্যদয়২৪,নিউজ ডেক্স।

কুড়িগ্রামে গণধর্ষনের দুই পলাতক আসামী আটক ;

সূর্যদয়২৪,২৮ সেপ্টেম্বর/২০১৯, চিলমারী কুড়িগ্রাম ;

অবশেষে দীর্ঘ চার মাস পর কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলায় বহুল আলোচিত মাহামুদা গণধর্ষনের পলাতক দুই আসমামীকে গ্রেফতার করেছে চিলমারী মডেল থানার পুলিশ। শুক্রবার রাতে তাদেরকে জোড়গাছ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ইতোপূর্বে বাদীর এজাহারে উইল্লাখিত এবং গ্রেফতারকৃত পূর্বের দু আসামী মিলে মোট ৪ জন আসামীকে গ্রেফতার করা দেখানো হলোএই চাঞ্চল্যকর মামলাটিতে।

মামলাটির তদন্তকারী অফিসার সরকার ্ইফতেখারুল মোকাদ্দেম, এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন, গত ২৪/০৪/২০১৯ ই ং তারিখে গণধর্ষনের শিকার টাঙ্গাইল জেলার কাকুয়া গ্রামের মোঃ রেজাউল করিমের স্ত্রী মাহামুদা বেগম (২৯) গত ২৫/০৪/২০১৯ ইং তারিখে চিলমারী মডেল থানায় একটি গণধর্ষনের মামলা দায়ের করেন।মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন যে, তার ভাগ্নী মোছাঃ রেজিয়া বেগম (২৫) দিনাজপুরের হারুণ মিঞা (৩২) এর সাথে পরকীয়া প্রেমের টানে নিজ বাড়ী টাঙ্গাইল থেকে পালিয়ে গেছে। মাহামুদা ২ জন নিকট আত্নীয়কে সংগে নিয়ে ভাগ্নীকে খুঁজতে বেড়িয়ে পরেন। এ সময় তিনি পলাতক হারুন মিঞার মামা কুড়িগ্রামের চিলমারীস্থ চিলমারী ইউনিয়নের কড়াইবরিশাল গ্রামের মোঃ রঞ্জু মিয়ার ( ৫২) সাথে মোবাইলে পরিচিত হন।

রঞ্জু মিয়া মাহামুদাকে ভাগ্নী খুঁজে দেবেন প্রতিশ্রুতি দিয়ে, তাকে চিলমারীতে ডাকেন। পূর্ব কথার সূত্র ধরে, মাহামুদা রঞ্জুর বাড়ীতে আসেন। এরপর কৌশলে রঞ্জু মিয়া মাহামুদার সাথে আসা আত্নীয়দেরকে তার বাড়ীতে রেখে , শুধু মাহামুদাকে সঙ্গে করে, রাত প্রায় ৯ টার সময় ভাগ্নীকে খোঁজার উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে আসেন।এরপর মাহামুদাকে একটি নৌকায় তুলে কড়াইবরিশাল ঘাটের ১ কিলোমিটার উত্তর পূর্ব দিকে , একটি ইউক্লিপটাস বাগাণে নিয়ে গিয়ে, নৌকার মাঝিসহ গ্রেফতারকৃত ৪ জন পালাক্রমে গণধর্ষন করে। মামলা দায়েরের পর পরই রঞ্জু ও জেলহক কে গ্রেফতার করা হয়েছিল। গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তি থেকে এই দু, আসামীর সংশ্লিষ্টতার কথা জানা যায়। শুক্রবার রাতে তাদেরকেও গ্রেফাতার করা হয়। তাড়া দুথজনই এতোদিন পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, অনেক চেষ্টার পর গণ গণধর্ষণকারী আনছার আলী ও আব্দুর রশিদকে ৪ মাসপর পালিয়ে থাকা অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে আাসামীদেরকে আদালতের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেল হেফাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

পিবিএ/মমিনুল ইসলাম বাবু/বিএইচ

সেদিনের এই কিশোরী’ই আজকের বিশ্বনেত্রী ;

সূর্যদয়২৪, ২৮ সেপ্টেম্বর /২০১৯;

কাজল কালো টানা দুটি চোখ। মায়াকারা চেহারায় আলতো মিষ্টি হাঁসি। মেঘ কালো কেশ আর কপালে একটি টিপ। ছবিতে সত্যিই অপূর্ব এই কিশোরী।

সেদিনের এই কিশোরী আজ বিশ্বপরিমন্ডলে গণতন্ত্র, উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও শান্তির প্রতীক। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কথা বলছি। হাসু আপা। আপার কৈশরের অপূর্ব দূর্লভ ছবিটি ষাটের দশকের কোন এক মিষ্টি রোদের পড়ন্ত বিকেল বেলার।

তার ব্যস্ততার কোনো শেষ নেই। তিনি সরকার প্রধান। দেশের সর্বপ্রাচীন ও জনপ্রিয়তম দলটির সভাপতি। রাষ্ট্রীয় গুরুদায়িত্ব পালনের ফাঁকে একটু সময় পেলেই প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসভবনের সবুজ লনে প্রায়ই নিজের শৈশবকে খুঁজে বেড়ান। ছেলে কিংবা নাতনীর জন্মদিনে রান্না করে খাওয়ানো, ভ্যানে ওঠা, ছেলের সাথে ব্যাডমিন্টন খেলা অথবা সমুদ্রে পা ভেজানোর ছবিগুলো একজন রাষ্ট্রনায়কের আড়ালে শেখ হাসিনার সুন্দর মনের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে। এছাড়া শিশুসুলভ কোমল মন নিয়ে তিনি শিশুদের সঙ্গে মিশে যেতে পারেন অনায়াসে।

বিষ্ময়কর নিপুন দক্ষতায় তিনি বাংলাদেশকে সকল ষড়যন্ত্রের মধ্যেও নিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের মহা সড়ক দিয়ে। আমরা গর্বিত এমন একজন মানুষকে রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে পেয়ে।

সৃষ্টিকর্তা তাকে সকল ষড়যন্ত্রের উর্ধে হেফাজতে রাখুন। সুস্থ রাখুন। দীর্ঘজীবী করুন।

সূর্যদয়২৪ অনলাইন সংস্করণ

রংপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ;

সূর্যদয়২৪, ২৮সেপ্টেম্বর/২০১৯, মিঠাপুকুর রংপুর ;

রংপুরের মিঠাপুকুরে একশ পিচ ইয়াবাসহ চার মামলার আসামী মাদক ব্যবসায়ী আবু তাহের দুলু ওরফে খুটা দুলুকে (৪৬) গ্রেফতার করেছে রংপুর ডিবি পুলিশ।

শুক্রবার ময়েনপুর দক্ষিণপাড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

রংপুর উত্তর ডিবি পুলিশের এসআই শফিকুল ইসলাম জানান, রংপুর পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকারের নির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিঠাপুকুরের ময়েনপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

এসময় আবু তাহের দুলু ওরফে খুটা দুলু নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে একশ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

তার নামে মাদক আইনে আরও চারটি মামলা চলমান রয়েছে।

সূত্র; এম২৪ নিউজ

জাতিসংঘের সামনে আওয়ামীলীগের সমাবেশে ‘শিবিরের’ হামলা ;

সূর্যদয়২৪,
২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের সময় জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়েছে। ছবি-সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের সময় জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে, শুক্রবার বিকালে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি চলছিল।

তখন বিএনপির ব্যানারে কর্মসূচি থেকে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায় বলে আওয়ামী লীগ নেতাদের অভিযোগ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শেখ হাসিনার সমর্থনে আওয়ামী লীগে নেতাকর্মীরা স্লোগান দিচ্ছিলেন, অন্যদিকে তার বিরোধিতায় স্লোগান দিচ্ছিলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে বিএনপির সমাবেশ থেকে স্লোগান উঠলে তার প্রতিবাদ জানান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তখন কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বিএনপির সমাবেশের একদল চড়াও হয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর।

নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির ব্যানারে থাকা ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ইট ছোড়ে। এতে আওয়ামী লীগের দুজন আহত হন।’

উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে নিউইয়র্ক পুলিশ এসে দুজনকে আটক করে। পরে মুচলেকা নিয়ে ওই দুই যুবককে ছেড়ে দেয়া হয়।

পরে পুলিশি বেষ্টনির মধ্যে আলাদা আলাদাভাবে কর্মসূচি পালন করে উভয় পক্ষ।

হামলার প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও বাংলাদেশ সোসাইটির বোর্ড অব ট্রাস্টির অন্যতম সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘যারা মারপিটের ঘটনায় লিপ্ত, আমি তাদের চিনি না। তারা বিএনপির লোক নন। হয়ত সমর্থক।’

তিনি বলেন, ‘অতি-উৎসাহীরা এমন অপকর্ম চালিয়েছে, যার দায়িত্ব বিএনপি নিতে পারে না। কারণ, আমরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেছি।’

আওয়ামী লীগের কর্মসূচিতে ছিলেন নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী, সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের মিয়া, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা প্রদীপ কর, মিসবাহ আহমেদ, ফরিদ আলম, মামনুনুল হক চৌধুরী, রেজাউল করিম রেজনু, শেখ জামাল, সেবুল মিয়া, ইফজাল চৌধুরী, খন্দকার মনসুর, নিজাম চৌধুরী, শাহ বখতিয়ার, হিন্দাল কাদির বাপ্পা, শরিফ কামরুণ হিরা, মমতাজ শাহানাজ, রহিমুজ্জামার সুমন, জামাল হোসেন, আবুল হুসেন, আবু তাহের, ইউসুফ চৌধুরী, ইকবাল ইউসুফ, সমীরুল ইসলাম বাবলু, শিব্বির আহমেদ শেখ সেলিম, জি আই রাসেল, মাহমুদুন্নবী বাকী, এম ফজলুল রহমান, নাফিজ জুয়েল, দারা বিল্লাহ, তুহিন, মনির চৌধুরী।

বিএনপির কর্মসূচিতে ছিলেন দেলোয়ার হোসেন, গিয়াস আহমেদ, এম এ বাতিন, জাকির এইচ চৌধুরী, মিল্টন ভূইয়া, আবু তাহের, গোলাম ফারুক শাহীন, মাওলানা অলিউল্লাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সাইদুর রহমান সাঈদ, জসীমউদ্দিন (ভিপি), আনোয়ার হোসেন খোকন, কাওসার আহমেদ, হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, রুহুল আমিন নাসির, পারভেজ সাজ্জাদ, মোহাম্মদ জে হোসেন, মাজহারুল ইসলাম জনি।

সূত্র ; যুগান্তর

ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে প্রথমবারের মতো খাদ্যশস্য পাচ্ছেন কুড়িগ্রামের জেলারা ;

সূর্যদয়২৪, ২৮সেপ্টেম্বর/২০১৯;

ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে কুড়িগ্রামের জেলেদের জন্য প্রথমবারের মতো খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ডিএফও) কালিপদ রায় এ তথ্য জানিয়েছেন।

আগামী ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়কে এবছর ইলিশের প্রধান প্রজনন সময় ঘোষণা করা হয়েছে। এসময় দেশের ইলিশ জোনভুক্ত জেলাগুলোতে ইলিশ শিকার, বিক্রি ও বিপণন নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার মোট ৯টি উপজেলার মধ্যে ৬টি উপজেলাকে (কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর, নাগেশ্বরী, চিলমারী,রৌমারী ও রাজীবপুর) ইলিশ জোনের আওতায় আনা হয়েছে। ইলিশ জোনভুক্ত ওই ৬ উপজেলার মোট ৭ হাজার ৯৩৫ তালিকাভুক্ত ইলিশ জেলে থাকলেও খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৭৬১ জনকে। এরা ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ ২২ দিনের জন্য ২০ কেজি করে চাল পাবেন।

এদিকে, আগামী ৯ অক্টোবর থেকে মা ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের সচেতন করতে আগামী ১ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত জেলার ইলিশ জোনভুক্ত উপজেলাগুলোর হাটবাজারে সচেতনতামূলক মাইকিং করার ব্যবস্থা নিয়েছে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়। এছাড়া, ৯-৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সব নদ-নদীতে মৎস্য ধরা নিষিদ্ধসহ হাট-বাজারে ইলিশ বেচাকেনা ও বিনিময় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ডিএফও কালিপদ রায় জানান, ইলিশ ধরা নিষিদ্ধকালে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে আওতাভুক্ত প্রতিটি উপজেলার জেলে পল্লিতে সচেতনতামূলক সভার আয়োজনসহ নদ-নদীতে অভিযান পরিচালনা করা হবে। এছাড়া, হাট-বাজারগুলোতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।

জনবল ও নৌযান সংকটে অভিযান বাধাগ্রস্ত হতে পারে এমন আশঙ্কা করে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, ‘ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমার নদের প্রায় ১৪৯ কিলোমিটার নৌপথজুড়ে ইলিশ মাছের বিচরণ ক্ষেত্র। ইলিশ জোনভুক্ত ছয় উপজেলার তিনটি উপজেলায় মৎস্য কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে। নদ-নদীতে অভিযান পরিচালনা করার জন্য আমাদের নিজস্ব কোনও নৌযান নেই। অভিযান পরিচালনার জন্য এখনও কোনও বরাদ্দও পাওয়া যায়নি। তারপরও আমরা সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।’

জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন বলেন, ‘তালিকাভুক্ত যেসব জেলের জন্য বরাদ্দ পাওয়া গেছে তাদেরকে তা যথাসময়ে বণ্টন করা হবে। এরপরও তালিকাভুক্ত এমনকি তালিকার বাইরে কোনও জেলে যদি বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য হন, তাহলে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে তাদেরকেও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত আছে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলাকে ইলিশ জোনভুক্ত এলাকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গত দুই বছর ইলিশ ধরার নিষিদ্ধ সময়ে এলাকার তালিকাভুক্ত ইলিশ জেলেদের কোনও রকম খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়নি। এবারই প্রথম তাদেরকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে সরকার।

অপেক্ষাকরুণ, যা ঘটে দেখবেন : সম্রাট প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী;


সূর্যদয়২৪, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯;

যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটের গ্রেফতারের প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘অপেক্ষা করুন, যা ঘটে দেখবেন।’ শনিবার হোটেল সোনারগাঁয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি। চীনের প্রজাতন্ত্রের ৭০ বছরের অর্জন নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান- সকাল থেকে সম্রাটকে আটকের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তিনি কি আটক কি-না? জবাবে তিনি বলেন, ‘অপেক্ষা করুন, যা ঘটে দেখবেন।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যে যেই ধরনের অপরাধই করুক না কেন তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে। এ জন্য আমরা তথ্যভিত্তিক অভিযান চালাচ্ছি। আপনারাও দেখছেন। অপরাধ ঘটছে বা যারা অপরাধ ঘটাচ্ছে এমন খবর যখন পাবো তখনই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। এটা কোনো শুদ্ধি অভিযান না। এটা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যা করার প্রয়োজন তাই আমরা করছি।

সম্রাটকে কী আপনারা গ্রেফতার করেছেন কি-না এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেখবেন, আপনারা খুব শিগগিরই দেখবেন। আপনারা অনেক কিছু বলছেন, আমরা যেটা বলছি ‘সম্রাট’ হোক যেই হোক অপরাধ করলে তাকে আমরা আইনের আওতায় আনবো। আমি এটা এখনও বলছি, সম্রাট বলে কথা না যে কেউ আইনের আওতায় আসবে। আপনারা সময় হলেই দেখবেন।’

ক্যাসিনোর অভিযানে পুলিশের থেকে র‌্যাবই সফল। এতে মানুষ পুলিশের উপর আস্থা হারাচ্ছে। বিভিন্ন সময় পুলিশের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ উঠেছে। এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমি ক্লিয়ার করে দিতে চাই, যেহেতু অভিযানটি র্যাব শুরু করেছে। আমরা বলছি, তাই ক্যাসিনোর অভিযান র‌্যাবই করছে। এর আওতায় এনে কাউকে যেন অযথা হ্যারাজ করা না হয় সে জন্য এই পরিকল্পনা।’

তিনি বলেন, আপনাদের আমরা সবসময় সঠিক তথ্যটাই দিয়ে থাকি। চলমান যে অভিযান এটাকে আমি অভিযান বলব না, এটা সবসময় হয়ে থাকে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে এগিয়ে গেছে তার মূল কারণ হলো, সামনে কি আসবে সেটা নিয়ে চিন্তা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ কারণে তিনি দেশকে একটা পর্যায় নিয়ে গিয়েছেন। সেটা কিভাবে টেকসই উন্নয়নে রূপান্তরিত করা যায় সে জন্য প্রধানমন্ত্রী সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তিনি সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে বলেছেন এবং সবাইকে আইন মেনে চলতে বলেছেন।

উল্লেখ্য, চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে সবচেয়ে আলোচনায় আসা ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আটক করা হয়েছে এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা নগরীর অবৈধ ক্যাসিনো তথা জুয়ার আসরের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ পেয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেফতাররাও তাকে ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ বলেও অভিহিত করেছেন।

এসব কারণে সম্রাটের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল পুলিশ। গত রোববার তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা-সংক্রান্ত একটি আদেশ দেশের সব বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে পাঠানো হয়।
সেইসঙ্গে তার ব্যাংক হিসাবও তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকেই কাকরাইলের ভূঁইয়া ম্যানশনে তার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে শতাধিক যুবকের পাহারায় অবস্থান করেন সম্রাট। প্রায় সপ্তাহ খানেক সেখানে অবস্থান করেন তিনি। তারপর থেকেই লাপাত্তা হন।

সূত্র; এআর/এসএইচএস/এমএস

Create your website at WordPress.com
Get started